ঢাকা,বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬, ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০ ঢাকা,সোমবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৬, ২১ পৌষ ১৪২২, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৭
ব্রেকিং নিউজ:
উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে বেতন বৃদ্ধির প্রতিবাদে অভিভাবকদের অবরোধ

wlfscবিশ্বকথা প্রতিবেদক : রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন বাড়ানোর প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন অভিভাবকরা।

বিক্ষোভের কারণে গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা কাকরাইলে যান চলাচল বন্ধ থাকে বলে রমনা থানার এএসআই মজিুবুর রহমান জানান। তিনি বলেন, সকালে অভিভাবকরা প্রায় আধা ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। রাস্তা বন্ধ থাকায় মিন্টো রোড, রাজমনি সিনেমা হলের সামনে ও পল্টন এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
অভিভাবকদের অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের আগে থেকে কিছু না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের বেতন বাড়িয়ে দিয়েছে। বাচ্চাদের নতুন ক্লাসে ভর্তি করাতে এসে তারা বিষয়টি জানতে পারেন। মানিক ঘোষ নামের এক অভিভাবক জানান, তার মেয়ে এবার বাংলা মাধ্যমে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠেছে। স্কুলে এসে তিনি জানতে পারেন, মেয়ের বেতন মাসে ৬৫০ টাকার জায়গায় বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে। খসরুজ্জামান লেলিনের ছেলে পড়ে স্কুলের ইংরেজি মাধ্যমে। আগে যেখান তারা জন্য মাসে ২ হাজার ১০ টাকা দিতে হতো, এখন তা বাড়িয়ে ৩ হাজার টাকা করা হয়েছে। শফিকুল ইসলাম নামের আরেক আভিভাবক বলেন, আমার মেয়ে বাংলা মাধ্যমে দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে উঠবে। আগে ১ হাজার ৩০০ টাকা দিতে হতো, এখন চাচ্ছে ২ হাজার ২০০ টাকা। বিনা নোটিসে এভাবে বেতন বাড়ানোয় অভিভাবকরা স্কুলের সামনে সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অবশ্য স্কুলের ইংরেজি মাধ্যমের ভারপ্রাপ্ত প্রধান এএসএম মাসুদের দাবি, বেতন বাড়ানোর বিষয়টি আগেই জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন উইলস লিটল ফ্লাওয়ারসহ আশপাশের কয়েকটি স্কুলের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেতন বাড়ানোর পর অভিভাবকদের তা জানানো হয়েছে বলে দাবি করেন এই শিক্ষক।অভিভাবকরা জানান স্কুল কর্তৃপক্ষোর এ বক্তব্য অসত্য।

এএসআই মজিবুর জানান, পুলিশ বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার পর অভিভাকদের রাস্তা থেকে সরিয়ে স্কুলের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে অভিভাবক প্রতিনিধিদের আলোচনারও ব্যবস্থা করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এএসএম মাসুদ বলেন, যেহেতু আমাদের স্কুলের অভিভাবকরা এটা মেনে নিতে চাচ্ছেন না, বিক্ষোভ করছেন, তাই আমরা আলোচনায় বসেছি। আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Comments are closed.